• মঙ্গলবার ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    ১৪ পায়ের দানবীয় আরশোলা ভারত মহাসাগরে মিলল!

    অনলাইন ডেস্ক | ২০ জুলাই ২০২০ | ১:৫১ অপরাহ্ণ

    ১৪ পায়ের দানবীয় আরশোলা ভারত মহাসাগরে মিলল!

    আরশোলাও যে এমন অদ্ভুত চেহারা নিতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল। ভারত মহাসাগরের একটি অংশে দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে এমন নয়া প্রজাতির প্রাণিটিকে খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। প্রথমে ২০১৮ সালে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা এলাকায় এই প্রাণিটিকে প্রথম পাওয়া গিয়েছিল। দেখে প্রথমে মনে হয়েছিল, জীবটি যেন মাথায় হেলমেট পরে রয়েছে। যেন স্টার ওয়ারের চরিত্র ডার্থ ভাদার।

    প্রায় দুবছরের গবেষণার পর সিঙ্গাপুরোর গবেষকেরা এই প্রাণিটিকে একটি নতুন প্রাণির আবিষ্কার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। নাম দেওয়া হয়েছে, ‘বাথিনোমাস রাক্ষসা’। একটি বিশালাকার সমুদ্র আরশোলা। গত ৮ জুলাই বিজ্ঞানী-গবেষকেরা এই নতুন প্রজাতি সম্পর্কে তাদের রিপোর্ট পেশ করেছেন। বায়োডাইভারসিটি রিসার্চ জার্নাল ‘জুকিজ’-এ এটি প্রকাশিত হয়েছে। লেখা হয়েছে, ‘ইন্দোনেশিয়ার শব্দ রাক্ষস ব্যবহার করা হয়েছে এর দানবীয় রূপের জন্য।’ যারাই এই নতুন প্রজাতির আরশোলাটিকে দেখেছেন, তারাই একে রাতের ভয়ানক স্বপ্নের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

    বাথিনোমাস রাক্ষসা এক ধরনের বিশালাকার জীব। বাথিনোমাস প্রজাতির এই জীবের শরীরে প্রায় ২০ ধরনের স্পিসিজ রয়েছে। কাঁকড়া, লবস্টার এবং স্রিম্প জাতীয় প্রাণির সঙ্গে এর মিল রয়েছে। এগুলি এক ধরনের মাংসাশী জলের পোকা। খুব শীতল স্থানে মহাসাগরের বুকে এগুলির বাস। পাওয়া যায় প্রশান্ত, অ্যাটলান্টিক ও ভারত মহাসাগরে। এই সমুদ্র আরশোলার ১৪টি পা রয়েছে। সমুদ্রের গর্ভে এই পা চালিয়েই খাবারের খোঁজ চালায় এরা। আরশোলার মতোই এদের মাথায় হেলমেটের মতো বস্তু থাকে, সেখানেই থাকে একাধিক চোখ।

    ৫০ সেন্টিমিটার (১.৬ ফুট) আকারের এই সমুদ্র আরশোলা সাধারণত সবচেয়ে বেশি বড় হয় ৩৩ সেন্টিমিটার। একটা পায়ের পাতার মাপের। ৫০ সেন্টিমিটারেরগুলি বিশাল দানবীয়। সেগুলির পরিমাণ কম। পশ্চিম অ্যাটলান্টিক মহাসাগরে ৩৩ সেন্টিমিটারের সমুদ্র আরশোলা অসংখ্য রয়েছে।

    এই প্রজেক্টটিতে কাজ করেছেন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর, রিসার্চ সেন্টার ফৎ ওশানোগ্রাফি এবং ইন্দোনেশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সেসের গবেষকরা। দু-সপ্তাহ ধরে প্রায় ৬৩টি জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন তারা। ১২ হাজার নমুনা সংগ্রহ করেছেন। সমুদ্রের গভীরে গিয়ে জেলিফিশ, স্পঞ্জ, কেচো, শামুক, স্টারফিশ, কাকড়ার মতো অসংখ্য ৮০০ ধরনের স্পিসিজ এনেছেন তারা। এর মধ্যে ১২ ধরনের প্রজাতি একেবারেই অজানা গবেষকদের কাছে।

    Facebook Comments

    বাংলাদেশ সময়: ১:৫১ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

    shikkhasangbad24.com |

    advertisement

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    advertisement
    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    advertisement

    সম্পাদক ও প্রকাশক : জাকির হোসেন রিয়াজ

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি# ১, রোড# ৫, সেক্টর# ৬, উত্তরা, ঢাকা
    01646741484 | hossainreaz694@gmail.com

    ©- 2021 shikkhasangbad24.com all right reserved