• বুধবার ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা

    অনলাইন ডেস্ক | ২৫ আগস্ট ২০২০ | ৮:২৩ অপরাহ্ণ

    সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা

    সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিপুল পরিমাণে মেয়াদোত্তীর্ণ সার্জিক্যাল সামগ্রী ও রিএজেন্ট পাওয়া গেছে। কোভিড-১৯ ইউনিট ও মাইক্রোবায়োলোজি ল্যাব একই সঙ্গে স্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত। এছাড়াও হাসপাতালটিতে একাধিক রোগীর ব্লাড স্যাম্পল একসঙ্গে রাখা হতো বলেও প্রমাণ মিলেছে।

    এসব অনিয়মের দায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    একই সঙ্গে এসব অনিয়ম ঠিক করতে আগামী সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
    মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে রাজধানীর মৌচাক এলাকায় সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

    দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালটিতে শুরু হওয়া অভিযানটি বিকাল ৪টার দিকে শেষ হয়। অভিযানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্সও সমন্বিতভাবে অংশ নেয়।

    র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম বলেন, হাসপাতালটিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট, টেস্টিং কিট ব্যবহার, বিপুল পরিমাণে মেয়াদোত্তীর্ণ সার্জিক্যাল সামগ্রী পাওয়া গেছে। অন্য হাসপাতাল থেকে রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে নিজেদের প্যাডে রিপোর্ট দিতো। হাসপাতালের রোগীদের রক্তের স্যাম্পল সংগ্রহ করে একসঙ্গে রাখতো। ল্যাবে আমরা বেশকিছু প্যাট্রিটিডিক্স পেয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী একজন রোগীর রক্তের স্যাম্পল রাখার জন্য একটি প্যাট্রিটিডিক্স ব্যবহারের কথা।

    তবে হাসপাতালের ল্যাবে একটি প্যাট্রিটিডিক্সে একসঙ্গে তিনজন রোগীর রক্তের স্যাম্পল রাখা হতো। এতে আমরা ধারণা করছি, হাসপাতালে রোগীদের রক্তের সব পরীক্ষা রিপোর্ট ভুয়া হয়েছে।
    সারওয়ার আলম আরও বলেন, হাসপাতালের ১২ ও ১৩ তলায় কোভিড-১৯ ইউনিট করা হয়েছে। একই ফ্লোরে রয়েছে হাসপাতালটির মাইক্রো বায়োলোজিক্যাল ল্যাব। ওই তলায় বাম পাশে কোভিড-১৯ ইউনিট এবং ডান পাশে ল্যাব। কোনো হাসপাতালে কোভিড-১৯ ইউনিট ও মাইক্রো বায়োলোজিক্যাল ল্যাব একই ফ্লোরে একসঙ্গে থাকতে পারে না। মাইক্রো বায়োলোজিক্যাল ল্যাব থাকলেও সেখানে কোনো মাইক্রো বায়োলোজিস্ট ছিল না। ল্যাবের অবস্থাও খুব খারাপ দেখা যায়। ব্লাড সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়নি। সাধারণভাবে ফ্রিজিং করতে দেখা যায়।

    এসব অনিয়মের কারণে হাসপাতাল ও কর্তৃপক্ষকে সর্বমোট ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এসব অনিয়ম ঠিক করতে প্রতিষ্ঠানটিকে সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অনিয়ম ঠিক না হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ৮:২৩ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২০

    shikkhasangbad24.com |

    advertisement

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    advertisement
    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
    advertisement

    সম্পাদক ও প্রকাশক : জাকির হোসেন রিয়াজ

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি# ১, রোড# ৫, সেক্টর# ৬, উত্তরা, ঢাকা

    ©- 2021 shikkhasangbad24.com all right reserved