• শনিবার ৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    শেরপুরে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিউশন ফি আদায়ে চাপ

    অনলাইন ডেস্ক | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১২:২৭ অপরাহ্ণ

    শেরপুরে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিউশন ফি আদায়ে চাপ

    করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বগুড়ার শেরপুরে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের বকেয়া টিউশন ফি আদায়ে অভিভাবকদের উপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেধে দেওয়া সময় পার হলেই ফি’র সাথে জরিমানাও আদায় করা হচ্ছে।

    জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কবে নাগাদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে, তা এখনও অনিশ্চিত। ছুটির মধ্যেও স্কুল থেকে বার বার ফোন করে ও এসএমএস পাঠিয়ে অভিভাবকদের টিউশন ফি পরিশোধ করতে বলা হচ্ছে। প্রমোশনের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত আসার আগে বছরের শেষ ভাগে এসে তা আরও বাড়ছে।

    মহামারির কারণে বহু অভিভাবক চাকরি হারিয়েছেন, কারও চাকরি থাকলেও প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা আটকে আছে। আবার অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দার কারণে সংসারে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছে। তারপরও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে চাপ সৃষ্টি করায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

    তাদের আশঙ্কা, বছরের শেষ দিকে এসে টিউশনসহ বিভিন্ন নামে অন্যান্য ফি সম্পূর্ণ পরিশোধ না করতে পারলে হয়ত তাদের সন্তানদের পরবর্তী ক্লাসে তুলবে না। এছাড়া শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস করার সুযোগ দিচ্ছেন না। এতে অনেক অভিভাবক সামর্থ্য না থাকলেও অনেকটা বাধ্য হয়ে করোনার মধ্যেই পূর্ণ বেতন পরিশোধ করছেন।

    মজনু মিয়া, আব্দুল মান্নান, আশুতোষ, কারিমুল ইসলাম, শরীফ আহমেদসহ একাধিক অভিভাবক বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মার্চ থেকে টিউশন ফি পরিশোধ করা হয়নি। কিন্তু চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শুরু থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দফায় দফায় বকেয়া টিউশনসহ অন্যান্য ফি পরিশোধে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এছাড়া স্কুল বন্ধ থাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবহনের বাস সার্ভিস বন্ধ রয়েছে। কিন্তু টিউশন ফির সঙ্গে বাস ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে।

    শেরপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে অধ্যক্ষ সেখ আব্দুল মান্নান বলেন, করোনায় টিউশনসহ অন্যান্য ফি আদায় করা যাবে না- সরকার বা মন্ত্রণালয়ের এমন কোনো নির্দেশনা নেই। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের বেতনসহ অন্যান্য খাত থেকে আদায়কৃত টাকা দিয়ে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যয় মেটানো হয়। তাই দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের বেতন নিতে পারিনি। এজন্য শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বকেয়া পড়ে গেছে। ফলে বকেয়া টাকা পরিশোধ করার জন্য অভিভাবকদের বলা হয়েছে।

    Facebook Comments

    বাংলাদেশ সময়: ১২:২৭ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

    shikkhasangbad24.com |

    advertisement

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    advertisement
    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১ 
    advertisement

    সম্পাদক ও প্রকাশক : জাকির হোসেন রিয়াজ

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি# ১, রোড# ৫, সেক্টর# ৬, উত্তরা, ঢাকা

    ©- 2021 shikkhasangbad24.com all right reserved