• রবিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    ফাহিমের সাথেই বাসায় ঢুকেছিল খুনি, সঙ্গে ছিল বড় স্যুটকেস

    অনলাইন ডেস্ক | ১৬ জুলাই ২০২০ | ১২:২২ অপরাহ্ণ

    ফাহিমের সাথেই বাসায় ঢুকেছিল খুনি, সঙ্গে ছিল বড় স্যুটকেস

    মোবাইল অ্যাপভিত্তিক রাইড সেবাদাতা পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফাহিম সালেহ যুক্তরাষ্ট্রে নিজের বাসায় নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন। হত্যাকারী বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে ফাহিমের লাশ কয়েক টুকরো করে রেখে যায়।

    নিউইয়র্ক সিটির সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা এবং বিত্তশালীদের আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত ম্যানহাটানের লোয়্যার ইস্ট সাইডের এপার্টমেন্ট এ ঘটনা ঘটেছে। এরপর থেকে হত্যার মোটিভ উদঘাটনে মরিয়া হয়ে উঠেছে পুলিশ।

    সোমবার বিকেলে ১০ তলার ঐ এপার্টমেন্ট ভবনের সপ্তম তলায় নিজ এপার্টমেন্টে ফিরেন ফাহিম। এরপর সারারাত এবং পরদিন মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত চেষ্টা করেও ফাহিমকে ফোনে না পেয়ে তার খালাতো বোন ছুটে আসেন ঐ ভবনে। এরপর এপার্টমেন্টে গিয়ে আৎকে উঠেন ফাহিমের খণ্ড-বিখণ্ড লাশ পলিথিন ব্যাগে দেখে। সাথে সাথে ফোন করেন ফাহিমের ছোটবোন রিফ-সালেহ। দ্রুত চলে আসেন তিনি এবং এরইমধ্যে ৯১১ এ কল করা হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগের দিন ঐ বহুতলা ভবনের সিসিটিভিতে ধারণকৃত মাথায় টুপি, হাতে গ্লোভস এবং মুখোশ (মাস্ক) পরিহিত এক ব্যক্তিকে ফাহিমের সাথে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

    ফাহিমের পেশাদার ঘাতক সোমবার বিকেলে ইলেভেটর দিয়ে ফাহিমের সাথেই সপ্তম তলায় উঠে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, লোকটি কালো পোশাক পরিহিত ছিল। মাথায় টুপি, মাস্ক-সবকিছু ছিল কালো। হাতে ছিল বড় একটি স্যুটকেস। পুলিশের ধারনা অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ফাহিমকে হয়তো মাথায় আঘাত করে দুর্বল করা হতে পারে। এরপরই বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে নিষ্ঠুরভাবে গলাকাটা হয়। পাশাপাশি দু’হাত ও দু’পা কাটা হয়। বুকের মধ্যেখানেও করাত চালিয়ে দু’ভাগ করা হয়। এরপর খণ্ড খণ্ড অংশ আলাদা পলিথিন ব্যাগে ভরা হয়। ফ্লোরের রক্ত মুছে ফেলা হয় কৌশলে। করাতেও ছিল না রক্তের দাগ। তদন্ত কর্মকর্তাদের ধারণা, ফাহিমকে হত্যার পর হয়তো টুকরো টুকরো লাশ ঐ স্যুটকেসে ভরে কোথাও নেয়া হতো-যাতে ফাহিম নিখোঁজ রহস্য উদঘাটনেও অনেক সময় পেড়িয়ে যায়।

    তদন্ত কর্মকর্তা এবং এমন হত্যাকাণ্ডের ওপর গভীর পর্যবেক্ষণকারীরা আরও মনে করছেন, খণ্ড খণ্ড লাশ স্যুটকেসে ভরার আগেই হয়তো ঐ এপার্টমেন্টে আসতে আগ্রহী কেউ নীচে থেকে কলিং বেল টিপেছিলেন। সে শব্দেই ঘাতক সবকিছু ফেলে পালিয়েছে।

    এমন ভাবনার সারাংশ টেনে ফাহিমের অভিভাবকরা বলেছেন, ঘাতক কীভাবে ভবন থেকে পালালো-সেটিও জানতে হবে। কারণ, সে তো হাওয়া হয়ে যায়নি। যে পথে ঢুকেছিল-সেই পথেও বেড়িয়ে গেছে-সে দৃশ্য ফুটেজে পাওয়া যাচ্ছে না কেন-এমন প্রশ্ন ক্ষুব্ধ প্রবাসীদের।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১২:২২ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০

    shikkhasangbad24.com |

    advertisement

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    advertisement
    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০ 
    advertisement

    সম্পাদক ও প্রকাশক : জাকির হোসেন রিয়াজ

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি# ১, রোড# ৫, সেক্টর# ৬, উত্তরা, ঢাকা

    ©- 2021 shikkhasangbad24.com all right reserved