• রবিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনা না মেনেই চলছে বেতন আদায়

    অনলাইন ডেস্ক | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৫:২৬ অপরাহ্ণ

    পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনা না মেনেই চলছে বেতন আদায়

    যেখানে করোনায় স্থবির গোটা বিশ্ব সেখানে থেমে নেই পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের বেতন আদায়ের নামে ডাকাতি। এটি নারায়ণগঞ্জের সুনামধন্য বিদ্যালয়ের মধ্যে একটি। সরকারি নির্দেশনা না মেনেই চলছে পুরো বছরের বেতন আদায়। পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ৭০০০ থেকে ৮০০০ ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করেন, এদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ অভিভাবক দিনমজুর ও অসহায়, যাদের পক্ষে এই মুহুর্তে পুরো বছরের বেতন দেওয়া সম্ভব নয়। পাগলা স্কুলের এইরূপ কার্য-কলাপের তীব্র নিন্দা জানান অভিভাবকেরা।

    এরকম একজন অভিভাবক বলেন , “স্কুল না যেনো কসাইখানার মতো আচরন করছে স্যারেরা, করোনার সময়ে আয় ইনকাম বন্ধ কিন্তু হেগো বেতন দিতে হইবো।” এই বিষয়ে আরেক অভিভাবক বলেন, “আমি মাইনষের বাসায় কাম করি, করোনার সময় তারা আমারে না কইরা দেয়। এখন আমার নুন আনতে পান্তা ফুরায়, ঠিক মতো সন্তানের খাবার দিতে পারি না, তার ভিতরে স্যারেরা কইছে বেতন না দিলে পরীক্ষা দিতে দিবো না, এখন আমি কি করমু? এখন আমার সন্তানের পড়া লেখা বন্ধ কইরা দিমু।”

    এরকম আরেকজন অভিভাবক বলেন, “আমার চাকরি নাই আজকে ৪ মাস হতে চললো। এর ভিতরে শুরু হয়ে গেলো বিদ্যালয়ের বেতন আদায়, আমি এখন কি করবো জানি না। এখন আল্লাহর কাছে চাওয়া ছাড়া আমার আর কিছু করার নাই।

    ”এই বিষয়ে পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ব্রজেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, “ এ ধরনের কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। কিছু মানুষ বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করতে এ ধরনের ভিত্তিহীন কথা বার্তা বলে বেড়াচ্ছে” তিনি আরও বলেন, “ আমাদের বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যে মেসেজ পাঠানো হয়েছে, তা সম্পূর্ন সত্য। তবে আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতার কারনে পুরো বেতন চেয়েছি এবং শিক্ষার্থীদের এও বলেছি যার যা সামর্থ্য সে অনুযায়ীই দিতে। কারন আমাদের শিক্ষকদেরও তো চলতে হবে।

    এই বিষয়ে পাগলা স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির একজন সাবেক সদস্য মোঃ জাহের মোল্লা বলেন, আমরা স্যারের কাছে প্রস্তাবনা দিয়েছিলাম যে, আপনি পুরো বছরের বেতন না নিয়ে শুধু ২-৩ মাসের বেতন নেন। কারন পাগলা স্কুলের অধিকাংশ শিক্ষার্থী হতদরিদ্র। তবে আমাদের সম্মানিত শিক্ষকদেরও বাঁচতে হবে। তখন তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে তার আশ্বাস শুধু আশ্বাসেই থেকে যায়, তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।” তিনি এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার এর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ৫:২৬ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

    shikkhasangbad24.com |

    advertisement

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    advertisement
    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০ 
    advertisement

    সম্পাদক ও প্রকাশক : জাকির হোসেন রিয়াজ

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি# ১, রোড# ৫, সেক্টর# ৬, উত্তরা, ঢাকা

    ©- 2021 shikkhasangbad24.com all right reserved