• রবিবার ২৮শে মে, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    এবার বুনো হাতির বিরুদ্ধে থানায় জিডি

    অনলাইন ডেস্ক | ১২ ডিসেম্বর ২০২০ | ১:৫৫ অপরাহ্ণ

    এবার বুনো হাতির বিরুদ্ধে থানায় জিডি

    বুনো হাতি। দলছুট হয়ে এসেছিল লোকালয়ে। খাবারের সন্ধানে ছুটছিল দিগবিদিক। এর তাড়ায় এক যুবকের মা গুরতর আহত হন। এরপর ওই যুববক হাতির বিরুদ্ধে থানায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনা কক্সবাজারের চকরিয়ার।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া থানায় এ জিডি করা হয়। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ জুবায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    জিডিটি করেছেন চকরিয়ার পূর্ব বড় ভেওলার কাশেম আলী মিয়াজী পাড়ার মনজুর আলমের ছেলে রেজাউল করিম (৩২)।

    জিডিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) ভোররাতে খাবারের সন্ধানে একটি হাতি উত্তর বন বিভাগের চকরিয়ার বিএমচর ইউনিয়নের বাঁশখাইল্লা পাড়াসহ পুচ্ছালিয়া পাড়া লোকালয়ে এসে পড়ে। সকালের আলো ফোটার পর স্থানীয়রা হাতিটিকে দেখতে পান। তখন হাতিটি এদিক-সেদিক ছুটাছুটি করছিল। উৎসুক মানুষও হাতিটির পিছু নেয়। তখন তাণ্ডব চালায় হাতিটি। হাতিটির তাড়া খেয়ে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন স্থানীয়। এদের মাঝে তার মা মর্তুজা বেগম (৬০) মারাত্মক আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে রেফার করেন। তিনি এখন সেখানে চিকিৎসাধীন।’

    রেজাউল করিম জানান, প্রায় সময় রাতে হাতির পাল খাবারের সন্ধানে তার এলাকা মিয়াজী পাড়া ও তার আশপাশে হানা দেয়। কৃষিজমি, ভিটাবাড়ির গাছগাছালির অনেক ক্ষয়ক্ষতি করে। বিষয়টি একাধিকবার বনবিভাগের নজরে আনা হলেও তারা কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি।

    তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকালে হাতির তাড়ায় তার মা আহত হলে বিষয়টা বন বিভাগকে অবগত করা হয়। কিন্তু বনবিভাগের এক কর্মকর্তা তাকে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেন। এ কারণে হাতি কর্তৃক ক্ষতির বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।

    এ বিষয়ে ওসি শাকের মোহাম্মদ জুবায়ের বলছিলেন, ‘হাতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ পুলিশের নেই। তবে এ ক্ষেত্রে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে, বন বিভাগকে একটি প্রতিবেদন দেবে পুলিশ। প্রতিবেদন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করার সুযোগ রয়েছে বন বিভাগের।

    কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. তহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ ৮ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় দলছুট হাতিটিকে বনে ফেরাতে সমর্থ হন বনকর্মীরা। কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া হাতিটিকে সন্ধ্যার আগে বন ফেরানো সম্ভব হয়। তখন কেউ আহত হয়েছেন বা কারও সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যায়নি। তবে, কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সঠিক প্রমাণ উপস্থাপন করলে, সম্ভব হলে বনবিভাগ ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে।’

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১:৫৫ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২০

    shikkhasangbad24.com |

    advertisement

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    advertisement
    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১ 
    advertisement

    সম্পাদক ও প্রকাশক : জাকির হোসেন রিয়াজ

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাড়ি# ১, রোড# ৫, সেক্টর# ৬, উত্তরা, ঢাকা

    ©- 2023 shikkhasangbad24.com all right reserved